‘সিরিয়ায় নিরাপদ অঞ্চল গঠনের অধিকার নেই তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্রের’

শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সিরিয়ার ভেতরে নিরাপদ অঞ্চল গঠনের কোনও অধিকার যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং ভাষ্যকার কেইন স্টোন। ইরানের ইংরেজি ভাষার টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। খবর পার্সটুডে’র।

বৃহস্পতিবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের মধ্যে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা আলোচনার পর সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি ব্যাপারে সম্মত হয় তুরস্ক।

আলোচনার পর তুরস্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, সিরিয়ার কুর্দি গেরিলারা তুর্কি সীমান্ত থেকে সরে যাবে এবং তারা সিরিয়ার ভেতরে প্রতিষ্ঠিত একটি নিরাপদ অঞ্চলে অবস্থান করবে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু জানিয়েছেন, তুরস্কের সেনারাই সিরিয়ার ভেতরে নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করবে।

এদিকে, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বাসিনা শাবান গতকাল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং তুরস্কের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে যে চুক্তি হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি বলেছেন, অবশ্যই আমরা এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি গ্রহণ করবো না এবং সিরিয়ার ভেতরে কুর্দি স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করার অধিকার তাদের নেই।

বাসিনা শাবান বলেন, সিরিয়ার ভেতরে যেহেতু বহু জাতি-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে সেক্ষেত্রে শুধু কুর্দিদের জন্য আলাদা স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করার কোনও যুক্তি ও সুযোগ নেই। তিনি বলেন, এই চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং তুরস্কের মধ্যে, এর সঙ্গে সিরিয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। এছাড়া, নিরাপদ অঞ্চল বলে যে ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে তাও সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে তুরস্ক সিরিয়ার ভেতরে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে।