মিডিয়া-লোভী স্ত্রী চাইছে ডিভোর্স, সংসার বাঁচাতে মরিয়া সিদ্দিকুর

মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক : ভেঙে পড়েছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। যেই মিডিয়া তাকে এত খ্যাতি, উপার্জন দিয়েছে সেই মিডিয়াই আজ তার সংসার ভাঙার কারণ। ফাটল ধরা সংসারে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ছয় বছরের শিশু সন্তানটির ভবিষ্যৎ। বেশ কিছু মাস ধরে স্ত্রী মারিয়া মিমের সাথে দাম্পত্য সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছিলো না জনপ্রিয় এই তারকার। যার কারণে তিন মাস আগে মাদারিপুর বাবার বাড়িতে ঈদ করতে গেলে এখনো ফিরে আসেনি সিদ্দিকুরের স্ত্রী মারিয়া।

জানা যায়, মিডিয়াতে কাজ করা নিয়েই তাদের এই দ্বন্দ্ব। আর তা এত চরমে পৌঁছেছে যে মারিয়া স্বামী সিদ্দিকুরকে তালাক দিতে চাইছেন। সিদ্দিকুর গণমাধ্যমকে জানান, ঝামেলার সূত্রপাত মারিয়ার একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করাকে কেন্দ্র করে। মারিয়া সেই বিজ্ঞাপনে কাজ করতে চাইলেও সিদ্দিকুর তাকে বাঁধা দেয়। যদিও সেই বিজ্ঞাপনে আর মারিয়ার কাজ করা হয়নি। এরপর থেকেই তাদের সাংসারিক কলহ বাড়তে থাকে। সেই জেরেই ঈদের সময় বাড়ি গিয়ে আর না ফিরে তালাক চাইছেন স্ত্রী।

সিদ্দিকুর আরও বলেন, মিডিয়াতে নিয়মিত কাজ করতে চাইলে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে পরে কাজ করতে হবে। এই জন্যই তার স্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু সিদ্দিকুর নিজেও তালাক চাননা বলে জানান।

তালাক না চাওয়ার কারণ হিসেবে সিদ্দিকুর বলেন, আমাদের সংসারে যথেষ্ঠ সচ্ছলতা আছে। দুই জনকেই কাজ করতে হবে এমন প্রয়োজন নেই। তাছাড়া আমার সন্তানের বয়স মাত্র ৬ বছর। এখন তার স্কুলে যাওয়ার সময়। এই সময়ে যদি দুজনেই মিডিয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি তবে আমার ছেলের ভবিষ্যতের কি হবে। আর এই জন্যই তাকে বলেছি মিডিয়াতে নিয়মিত না হতে। এতে আমি ডিভোর্স দেওয়ার কোনো কারণ দেখছি না।

আশা ব্যক্ত করে সিদ্দিকুর বলেন, মিম হয়তো ক্ষোভে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি বলবো তুমি ফিরে আসো। আমাদের এত ছোট একটা সন্তান, আমারা আলাদা হলে এই বাচ্চাটা মানুষ হতে পারবে না। ফিরে এসে সংসারটা বাঁচাও, সন্তানটাকেও দেখো। আমি চাই তোমার সঙ্গে সংসার করতে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৪ মে মারিয়া মিমকে ভালোবেসে বিয়ে করেন সিদ্দিক। ২০১৩ সালে তারা আরশ হোসেন নামে এক পুত্রের বাবা মা হন। ছেলে এখন বাবার সাথেই থাকে।