বিউটি ক্রিমে উচ্চ মাত্রার পারদ : ব্যবহারে সচেতনতা

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

বাজারে যেসব রঙ ফর্সাকারী বা বিউটি ক্রিম জাতীয় পণ্য পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর বেশিরভাগে রয়েছে উচ্চ মাত্রার অজৈব পারদ। যা মানুষের ত্বকে পারদের সহনীয় মাত্রা এক পিপিএমের চেয়ে কয়েকশ গুণ বেশি। এই সব ক্রিম ব্যবহারের কারণে ত্বকের নানা সমস্যার পাশাপাশি কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাও দেখা দিতে পারে বলে দাবি করছেন গবেষকরা।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর পারদযুক্ত পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব’ শীর্ষক কর্মশালায় উদ্বেগজনক এই চিত্র তুলে ধরা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর এবং এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডো যৌথভাবে এ কর্মশালা আয়োজন করে।

এ বিষয়ে বুয়েটের অধ্যাপক এবং এসডোর নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানা বলেন, পারদযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমগুলি সরাসরি আমাদের ত্বকে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং এসব দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে কিডনির জটিলতা, হজমে সমস্যা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস এবং স্নায়ুতন্ত্রজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সারাবিশ্বেই রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের ব্যবহার রয়েছে, তবে এশিয়ায় এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। চীন, ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলোর ৪০ শতাংশ নারী এই ধরনের ক্রিম ব্যবহার করেন।

বিউটি ক্রিম ব্যবহার ও পারদ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নীতি ও বিধি বাস্তবায়ন এবং প্রয়োগের মাধ্যমে ত্বক ফর্সাকারী পণ্যগুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধের আহ্বান জানান কর্মশালার সভাপতি এসডোর মহাসচিব শাহরিয়ার হোসেন।