আপনাদের সম্পর্কটা সুখী তো?

মঙ্গলবার, জুন ২৫, ২০১৯

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একটা সম্পর্ক গড়ার পর তা কিন্তু সব সময় সুখী নাও হতে পারে। আবার অনেকেই সুখী দাম্পত্য বোঝেন না। তাদের জন্যই আজকের এই লেখাগুলো। আপনার সম্পর্কটা সুখী কি না সেটা সহজেই বুঝে নিতে পারবেন-

শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় অনীহা নেই, বরং আগ্রহ আছে
যাঁরা বহুদিন একসঙ্গে আছেন, তাঁদের শারীরিক সম্পর্কেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক পরিবর্তন আসে। একটা সময়ের পর রোজ যৌন সম্পর্ক হয় না, কিন্তু তাই বলে তাঁরা পরস্পরের কাছাকাছি আসা বন্ধ করেও দেন না। সিনেমায় যেমন দেখা যায়, স্বামী-স্ত্রী কাজে বেরোনোর আগে পরস্পরকে চুম্বন করেন, তেমনটা বাস্তবেও করা কিন্তু সুখী দাম্পত্যেরই লক্ষণ!

আলাদা হবি থাকা সম্পর্কের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো
যে কোনও সুখী দম্পতি একে অপরের সঙ্গে অনেকটা সময় একসঙ্গে কাটান, সেই সঙ্গে আবার নিজেদের পছন্দের কাজগুলো করতেও পিছপা হন না। একে অপরের আগ্রহের বিষয়গুলোয় উৎসাহ জোগানো এবং সেই সঙ্গে নিজের জন্যও খানিকটা সময় আলাদা করে রাখাটা খুব প্রয়োজনীয়। হয়তো আপনার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ড মিউজ়িক আর রান্নার ভক্ত, আপনার ভালো লাগে নাচ আর টেনিস – একদিক থেকে কিন্তু এটা ভালো! মনোবিদেরা বলেন, যাঁদের নানা বিষয়ে উৎসাহ থাকে, তাঁরা একে অপরকে নিয়েও আগ্রহটা বাঁচিয়ে রাখতে পারেন।

আপনারা পরস্পরের পাশে থাকেন
দাম্পত্য সম্পর্কে পরস্পরের দোষত্রুটিগুলোকে মেনে নেওয়ার অভ্যেস তৈরি করতে হবে। কেউই পারফেক্ট হয় না, আপনিও নন। আপনার দোষত্রুটি যদি অন্য মানুষটি মেনে নিয়ে থাকেন, তা হলে ওঁর ভুলচুকও আপনাকে মেনে নিতে হবে। ভালো খারাপ সব কিছু একসঙ্গে সামলাতে পারলে প্রমাণিত হবে আপনারা ক্ষমাশীল এবং সম্পর্কটাকে সুস্থ রাখতে আগ্রহী। বড়ো কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করুন। এমন কিছু করবেন না, যাতে অপরজন কোনওভাবে আহত হন।

একে অন্যের পরিবারের প্রতি উষ্ণতা বজায় রাখেন
এমন হতেই পারে, ওঁর মা বা পরিবারের কারও সঙ্গে আপনার মানসিকতায় মোটেই মেলে না। কিন্তু তাই বলে তাঁদের কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়ার বোকামিটাও করবেন না। একে অপরের পরিবারের সদস্য হয়ে ওঠাটাও সফল দাম্পত্যের অন্যতম শর্ত। আপনার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডের যদি আপনার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বনিবনা না হয়, তা হলেও তাঁকে বুঝিয়েসুঝিয়ে বিয়েবাড়ি বা গেট-টুগেদারে নিয়ে যান। অপছন্দ হলেও একে অপরের পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটা জরুরি।

আর্থিক ব্যাপারে ভারসাম্য রক্ষা করে চলেন
অনেকেই মনে করেন এটা অসম্ভব, কিন্তু সুখী দম্পতিরা আর্থিক ভারসাম্য বজায় রেখেই চলেন। সাধারণত উপার্জন, টাকা জমা ও খরচ বিষয়ে তাঁদের ধ্যানধারণা একইরকম হয়। টাকাপয়সা খরচের অভ্যেসে ফারাক থাকার দরুন বহু বিয়ে ভেঙে যায়। তাই আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। বড়ো কোনও খরচ করার আগে পরস্পরকে জানিয়ে রাখুন।