ডিপ্রেশনে ভুগতেন দীপিকা!

বৃহস্পতিবার, জুন ২০, ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক : ২০১৭ সালে ফারাহ খানের হাত ধরে বলিউডে অভিষেক হয়েছিলো দীপিকা পাড়ুকোনের। শাহরুখ খানের সাথে জুটি বাঁধেন ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমায়। প্রথম ছবি দিয়েই বক্স অফিস কাপিয়ে দেন। রাতারাতি স্টার বনে যান।

এরপর ২০১৭ সালে দীপিকা পাডুকোনের অভিনয় জীবনে যোগ হয় অন্য সাফল্য। ভিন ডিজেলের সাথে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন হলিউডের ‘এক্সএক্সএক্স: রিটার্ন অফ জান্ডার কেইজ’ ছবিতে।

এখন বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম দীপিকা। শুধু জনপ্রিয়তা নন, সাফল্যের দিক থেকেও তার অবস্থান শীর্ষে। তার গ্ল্যামার কোশেন্ট নিয়ে চর্চা হয় সর্বত্র। দীপিকার ছবি, তার পুরষ্কার প্রাপ্তি, ফ্যাশন, স্টেটমেন্ট, ব্যক্তি-জীবন, সবই লাইম লাইটে।

কিন্তু প্রদীপের নীচেই থাকে অন্ধকার। তেমনই তারকার জীবন মানেই শুরু রোশনাই নয়। সেখানেও থাকতে পারে দুঃখ-অবসাদ। সে-কথা সর্বসমক্ষে স্বীকার করলেন দীপিকা। একসময় ভুগতেন ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনে। রাখ-ঢাক না রেখেই সে-কথা তিনি ভাগ করে নিলেন অনেকের সঙ্গে।

‘দ্য ইউথ অ্যানজাইটি সেন্টার’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের এই পর্যায়ের কথা অনেকের সঙ্গে ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। এই সংস্থা গবেষণামূলক কাজের পাশাপাশি অবসাদে ভোগা বহু মানুষের জন্য ট্রিটমেন্ট সেশন আয়োজন করে থাকে।

এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন দীপিকা। কী বললেন দীপিকা?

দীপিকা বলেন, সারা পৃথিবীতে ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ অবসাদে ভোগে। যে কোনো সময়, যে কোনো মানুষকে ডিপ্রেশন ভর করতে পারে। যে কোনো পেশার, যে কোনো লিঙ্গের মানুষই এর শিকার হতে পারে। আমার ক্ষেত্রে সবথেকে কঠিন ব্যাপার ছিল, যখন আমার অবসাদ হয়েছিল, আমি বুঝতেই পারিনি।

যখন আমি বুঝলাম, আমার এই অবস্থার একটা নাম আছে, ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন, আমি তখন ভার বোধ করতে শুরু করলাম। এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে ধৈর্য ও আশা দুটোই খুব জরুরি। সুপারম্যান বলেছিল না, “তুমি যদি আশা করাকে বেছে নাও, তাহলে সবকিছুই সম্ভব!”

এই ভিডিওটি আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গে দীপিকার ভক্তরা ভালোবাসা উপচে দেন অভিনেত্রীর কমেন্টবক্সে। সূত্র: জি-নিউজ