খাবারেই লুকিয়ে আছে হার্টের সুস্থতা

বৃহস্পতিবার, জুন ২০, ২০১৯

স্বাস্থ্য ডেস্ক : ঘন ঘন অনিয়ম, মানসিক চাপ, পরিশ্রম এগুলো যদি প্রতিদিনের সঙ্গী হয়, তাহলেও হার্টের অসুখ হবে না, এমনটা ভাবলে কিন্তু বাড়াবাড়ি হবে। পেশার ধরন, জীবনযাত্রার মান, পারিপার্শ্বিক চাপের কারণে যদি কিছুটা অনিয়ম হয় তবে তার থেকে বেশি নিয়ম মেনে হার্ট সুস্থ রাখতে হবে।

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়ম মেনে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। অন্তত প্রতিদিন মিনিট ২৫-৩০ হাঁটা আর ছয়-সাত ঘণ্টা আরামের ঘুম প্রয়োজন। আর যতটা সম্ভব কম তেল-মসলা খেতে হবে।

অতিরিক্ত মেদ, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল হার্টের সমস্যার অন্যতম কারণ। তাই এই অসুখগুলো না থাকলে হার্টও ভাল থাকবে। আমাদের খাবারের মধ্যেই অনেক রোগের সমাধান লুকিয়ে থাকে। হার্টের সমস্যা কমাতে এসব খাবার খেতে হবে।

খেজুর

এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও পলিফেনল আছে। রক্তে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ সাহায্য করে এটি। তাই ডায়াবেটিসের সমস্যা না থাকলে ও অন্য কোনো অসুখের কারণে নিষেধ না থাকলে প্রতিদিন কয়েকটা খেজুর খেতেই পারেন।

ব্রকোলি

ভিটামিন কে পর্যাপ্ত পেতে গেলে এই সবজি খাবারে রাখুন। ধমনীর স্বাস্থ্য রক্ষা করতে ও রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে তাই বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই সবজি।

গ্রিন টি

সকাল-বিকেল অন্তত ২ কাপ গ্রিন টি খান। মেটাবলিজম বাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর এটি। মেটাবলিজম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে গ্রিন টি।

বেদানা

শরীরে আয়রনের চাহিদা পূরণ করে রক্তের পরিমাণ বাড়াতে ও রক্ত শোধন করতে বিশেষ সাহায্য করে বেদানা। ফাইটোকেমিক্যাল নামের যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ধমনীকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে তার অনেকটাই পাওয়া যায় বেদানা থেকে।

বেরি জাতীয় ফল

রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে এই ধরনের ফল। তাই সুযোগ পেলেই ফলের স্যালাডে মিশিয়ে নিন ক্রানবেরি, ব্লু বেরি।