নারীদের স্তন কেটে বিক্রি, আকার দেখে দাম বৃদ্ধি

রবিবার, জুন ১৬, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে অনেকেই। তবে এমন অনেক ব্যবসাই রয়েছে যেগুলো নেককারজনক এবং সমাজের চোখে জঘন্যতম অপরাধ। আর ঠিক এমনই এক জঘন্যতম ব্যবসায় লিপ্ত হয়েছিলেন কেনিয়ার নাইরোবিতে বোনিফেস কিমনিয়ানো নামের এক অপরাধী।

তিনি নারীদের স্তন কেটে বিক্রি করতেন। স্তনগুলোর আকারের উপর নির্ভর করে মূল্য প্রদান করা হতো। যত বড় হতো স্তনগুলো তত ভালো দাম পাওয়া যেত। তবে তিনি এখন এ ধরনের অপকর্ম থেকে বেরিয়ে এসেছেন।

সংবাদমাধ্যম কেটিএন-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে, বোনিফেস কিমনিয়ানো এসব কথা জানান। তিনি যেসব নারীর সঙ্গে সম্পর্ক করতেন তারা বেশিরভাগই ছিলো যৌনকর্মী। সম্পর্ক তৈরি করার পর ওই নারীদের স্তন কেটে তিনি বডি ব্রোকারদের কাছে বিক্রি করতেন।

কিমনিয়ানো বলেন, আমরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে নারীদের ফাদে ফেলে তুলে আনতাম এবং অর্থের বিনিময়ে তাদের স্তন কেটে নিতাম।

কিভাবে তারা এমন কাজ করতেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কিমনিয়ানো বলেন, আমরা ‘ফ্লেক্সর’ নামের রাসায়নিক ব্যবহার করে নারীদের ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। এরপর তাদের স্তন কেটে ফেলতাম।

‘ফ্লেক্সর’ মূলত পেশী ব্যথা চিকিত্সার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু যদি এর অপব্যবহার করা হয় তবে মাথা ঘোরা এবং সংজ্ঞানাশ হতে পারে।

তিনি বলেন, কিছু লোক ছিল আমাদের নির্দেশদাতা। তাদের মতে, এটি একটি খুবই লাভজনক ব্যবসা। আমাদের কাজ ছিল কেবল স্তন সংগ্রহ করা এবং বডি ব্রোকারদের কাছে সেগুলো পৌঁছে দেয়া। স্তনগুলো আকার অনুযায়ী স্থানীয় মুদ্রায় ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজারে বিক্রি করা হতো।

কিমানিয়ানো স্বীকার করেন যে, ওই কাজ করে তাদের উপার্জন ভালই ছিল। কিন্তু তিনি নিজের হাতে নারীদের ওই কষ্টভোগ দেখে মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিলেন। তবে তিনি ওই কাজ করেছিলেন ড্রাগের খপ্পরে পড়ে।

এদিকে, ২০১৬ সালে ওই গ্যাং সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়। মানবদেহের গোপনাঙ্গসহ বিভিন্ন অংশ প্রধান হাসপাতগুলোতে বিক্রির অপরাধে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়। এরপর থেকে ওই বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।