ইসরাইল জুড়ে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু!

রবিবার, মে ২৬, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। ইহুদি রাষ্ট্রটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনিরা আমাদের সহায়তা করেছেন। এই সহায়তা অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ।

মিসরের প্রেসিডেন্ট আল সিসি মানবিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। সংকটের মুহূর্তে প্রতিবেশীদের সহায়তায় আমি অবশ্যই কৃতজ্ঞ। আমরাও তাদের বিপদে সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যাই। এদিকে ইহুদীবাদী ওই দেশটির ব্যাপক দাবানল নিয়ন্ত্রণে মিসর ও চার ইউরোপীয় দেশ বিমান পাঠিয়েছে।

শুক্রবার নেতানিয়াহু বলেছেন, ভয়াবহ দাবানলে কয়েকটি ছোট শহর থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে হয়েছে। দাবদাহের কারণে দেশটির তাপমাত্রা আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেছেন, দাবানল নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে ইসরাইল। গ্রিস, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি ও সাইপ্রাস থেকে অগ্নিনির্বাপণ বিমান আসছে।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল সিসির নির্দেশে দুটি যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে মিসর। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও রাশিয়াও সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। নেতানিয়াহু বলেন, সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো উপায়ে পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতি আমাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। বাতাস সত্যিই অতিরিক্ত গরম। ইসরাইলের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিভাগ জানিয়েছে, জেরুজালেম ও তেলআবিবের মধ্যে মূল করিডোরের আগুন নেভানো হয়েছে। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তবে নতুন করে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা বলেন, দেশটির ছোট ছোট শহর থেকে ৩৫ হাজার অধিবাসীকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দাবানলে কয়েক ডজন বসতবাড়ি ভস্মীভূত হয়ে গেছে।

জার্মান ফুটবলার ওজিলের সঙ্গে এরদোগানের ইফতারের ছবি ভাইরাল।

আর্সেনালের জার্মান মিডফিল্ডার মেসুত ওজিলের সঙ্গে ইফতার করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। গেল শনিবার ইস্তানবুলে ইফতার করেন তারা। এদিন অটোমান যুগের দলমাবাহাস রাজপ্রাসাদে রাজকীয় ইফতার পার্টি হয়।

এতে এরদোগানের টেবিলের একপাশে বসেন ওজিল ও তার বাগদত্তা এমিনে গুলসে। এ সময় হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায় তাদের। ইতিমধ্যে সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। শিগগির বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ওজিল। দীর্ঘদিনের বান্ধবী গুলসের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন তিনি। বহুল প্রতীক্ষিত এ বিয়েতে অতিথি হিসেবেও দেখা যেতে পারে এরদোগানকে।

ইতিমধ্যে তুর্কি প্রেসিডেন্টের হাতে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র তুলে দিয়েছেন ওজিল ও গুলসে। সবাই তুরস্কে ব্যাপক জনপ্রিয়। সেই ছবি নিয়েও সমালোচনা হয়। ওজিল জার্মানির হয়ে খেললেও জাতিতে তুর্কি। তার হবু স্ত্রীও তুর্কি বংশোদ্ভূত। পেশায় মডেল ও অভিনেত্রী গুলসে অবশ্য সুইডেনের নাগরিক।

গেল বছর বর্ণবৈষম্য ও অসম্মানের অভিযোগ এনে জার্মান জাতীয় ফুটবল দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ওজিল। এর নেপথ্যেও ছিলেন এরদোগান। রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে তুরস্ক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওজিল। পরে এর একটি ভিডিও ক্লিপ নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন তিনি।

তাতে দেখা যায়, এরদোগানকে আর্সেনালের জার্সি উপহার দিচ্ছেন এ মিডফিল্ডার। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেননি জার্মানরা। ডানপন্থী রাজনীতির কারণে এরদোগানের ভাবমূর্তি নিয়ে পশ্চিমাবিশ্বে প্রশ্ন আছে। এমন একজনের সঙ্গে ছবি তোলায় জার্মানদের মূল্যবোধ নষ্টের অভিযোগ তোলা হয় ওজিলের বিরুদ্ধে। তবু তাকে বিশ্বকাপের দলে রাখেন কোচ জোয়াকিম লো।

বিপত্তিটি বাধে প্রথম রাউন্ড থেকে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা বিদায় নিলে। ব্যর্থতার দায় এসে পড়ে ওজিলের কাঁধে। ফলে উগ্র সমর্থকদের কাছ থেকে ঘৃণিত বার্তা হতে শুরু করে মৃত্যুর হুমকিও পান তিনি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে জাতীয় দল থেকে অবসর নেন ২৯ বছরের মিডফিল্ডার।