গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে কাকি ভাতিজার আত্মহত্যা

সোমবার, মে ২০, ২০১৯

জিএম মিজান, শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গাংনগর মাঝপাড়া গ্রামে প্রেমের অভিমানে কাকী ভাতিজা গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছে। থানা সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত আনুমানিক ১.৩০ মিনিটে গাংনগর মাঝপাড়া গ্রামের সুবন্ধু দাসের স্ত্রী চৈতী রাণী দাস (২৭) ও অমল চন্দ্র দাসের ছেলে কনক চন্দ্র দাস (২০) সম্পর্কের টানাপোড়নের কারণে একসাথে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে বাড়ির পার্শ্বে আখ ক্ষেতে কাশাকাশি করলে সামাদ নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি টের পেলে গ্রামবাসীকে খবর দিলে তাদের স্থানীয় ভাবে ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসার পূর্বেই দুজনের মৃত্যু হয়।

তারা সম্পর্কে কাকি এবং ভাতিজা ছিলো। স্থানীয়রা জানান, চৈতী রাণী ও কনক দাসের মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ মধুর সম্পর্ক ছিলো। তারা সম্পর্কে কাকি এবং ভাতিজা হওয়ায় তাদের মেলামেশা নিয়ে কেউ সন্দেহ করেনি। তবে কয়েকদিন আগে দু’জনের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হয়। এ নিয়ে উভয়ের পরিবার থেকে তাদেরকে শাসন করা হয়।

এলাকাবাসী আরোও জানায় রবিবার (১৯ মে) রাতের আনুমানিক ১.৩০মিনিটে সময় চৈতী রাণী এবং কনক ঘর থেকে বের হয়ে যায় এবং বাড়ি থেকে ৪০০ গজ দূরে আখ ক্ষেতে তারা এঘটনা ঘটায়। জানতে চাইলে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সনাতন চন্দ্র সরকার ববলেন, চৈতী রাণীর স্বামী সুবন্ধু দাস হতদরিদ্র।

কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। রবিবার রাতে স্ত্রী বিছানা থেকে কখন উঠে গেছে তা বলতে পারেন না। চৈতী রাণীর দুইটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। কনক তার বড় ভাইয়ের ছেলে। তারা পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করতেন।

এবিষয়ে শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, প্রেমের সম্পর্কের কারণেই তারা আত্মহত্যা করেছে। লাশ সুরতহাল শেষে শজিমেক এর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।