কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে : জি এম কাদের

শনিবার, মে ১৮, ২০১৯

ঢাকা : শনিবার দুপুরে বনানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

ধানের দাম নিয়ে বিপাকে পড়া কৃষকদের বিষয়ে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, প্রতি মণ ধান যখন বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকায়, ঠিক তখনি প্রতি মণ মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ২০০০ টাকায়। কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ সংকট সমাধানের জন্য সরকারিভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার দাবি জানান জি এম কাদের।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে জি এম কাদের এ দাবি জানান।

জি এম কাদের বলেন, দরকার হলে বেসরকারি গুদামকেও সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ধান সংরক্ষণ করতে হবে।

কৃষকদের দুর্দশার কথা জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ৯০৬ টাকা খরচ করে ধান ফলিয়ে সেই ধান বিক্রি করতে হচ্ছে ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকায়। এ কারণে কৃষকরা বোরো ধান কাটছেন না। প্রতি মণ ধান যখন বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকায়, ঠিক তখনি প্রতি মণ মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ২০০০ টাকায়। কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। আমরা এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন।

সরকারের চাল রপ্তানির সিদ্ধান্তের বিষয়ে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, হঠাৎ করে চাল আমদানি করা সম্ভব হয় না। তাই রপ্তানির কথা আগে ভাবতে হবে। এমন অবস্থায় সরকারকে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কিনে, তা যথাযথ সংরক্ষণের আহ্বান জানান তিনি।

জি এম কাদের বলেন, সংবাদ মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিদেশে চাল রপ্তানির কথা বিবেচনা করছে। আমরা মনে করি, চাল রপ্তানির আগে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। কারণ কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে চাল বা খাদ্যদ্রব্য প্রয়োজন হলে দ্রুততার সঙ্গে আমদানি করা সম্ভব হয় না। এতে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আলমগীর সিকদার লোটন, নাজমা আক্তার ও এমরান হোসেন মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব শফিকুল ইসলাম শফিক, জহিরুল আলম জহির, হাসিবুল ইসলাম জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল্লাহ শফি, মনিরুল ইসলাম মিলন, সাজ্জাদ পারভেজ চৌধুরী, রেজাউল রাজী চৌধুরী স্বপন, সোলায়মান সামী, দ্বীন ইসলাম শেখ, জাকির হোসেন মৃধা, আনোয়ার হোসেন তোতা প্রমুখ।