বাজার থেকে এখনো সরেনি নিষিদ্ধ ৫২ পণ্য

শুক্রবার, মে ১৭, ২০১৯

ঢাকা : বিএসটিআইএ’র নির্দেশ সত্ত্বেও বাজার থেকে সরেনি নিম্নমানের পণ্য। বিক্রেতাদের দাবি, দু’একদিনের মধ্যেই সরিয়ে ফেলা হবে বিক্রি নিষিদ্ধ এ পণ্যগুলো। অনেক প্রতিষ্ঠান বলছে, বিক্রির অনুমোদন আবার মিলবে। তাই বাজার থেকে না সরিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। এদিকে মানহীন পণ্য বিক্রি বন্ধে বাজার তদারকি বাড়ানোর দাবি ভোক্তাদের।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাজার থেকে ৫২টি পণ্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশ এলেও মানা হচ্ছে না তা। দোকানে থরে থরে সাজিয়ে এখনও বিক্রি করা হচ্ছে বিএসটিআই কর্তৃক নিষিদ্ধ এসব পণ্য।

দোকানদারদের কেউ কেউ বললেন, দু’একদিনের মধ্যে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নিয়ে যাবে এ পণ্যগুলো। অনেকে জানেনই না কোন কোন পণ্য বিক্রি করা নিষিদ্ধ। বিক্রয় প্রতিনিধিদের দাবি, যে ব্যাচের পণ্যে ভেজাল পাওয়া গেছে সেগুলো সরানো হয়েছে। তারা বলেন, কিছু কিছু কোম্পানি পণ্য উঠিয়ে নিয়েছে, কিছু কোম্পানি তিনদিনের ভেতর বৈধতার কাগজ এনে দেয়ার কথা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৭টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বিএসটিআই। দুইটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল ও ২৫টির স্থগিত করা হয়। এর আগে বুধবার ২৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল বিএসটিআই।

বিএসটিআই উপ-পরিচালক মো. রিয়াজুল হক জানান, এস এস প্রোডাক্টস ও কিরণ প্রোডাক্টস, এই দুইটার লাইসেন্স বাতিল করেছি। বাকি ২৫টার লাইসেন্স স্থগিত করেছি। ওদের নমুনা নিয়ে আমরা পরীক্ষা করব, যে কয়েকটি ভাল পাব, সে কয়েকটি অব্যাহতি দেব আর যে কয়েকটার খারাপ পাব সাথে সাথে লাইসেন্স বাতিল করে দেব। রোববারের মধ্যেই আগের ২৫টার নমুনা জমা হয়ে যাবে। পরে যে ২৫টা স্থগিত করেছি সেগুলোর নমুনা এখনও নেইনি। এটার নমুনা হয়তো শনিবার কিংবা রোববারের মধ্যে নেব। সোমবার জমা হতে পারে।

মানহীন পণ্য বিক্রি বন্ধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও বিএসটিআই’কে তদারকি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন ভোক্তারা।

রমজানের আগে খোলা বাজার থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪০৬টি খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পরীক্ষার পর ৫২টি পণ্য নিম্নমানের বলে ঘোষণা দেয় বিএসটিআই।