মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

বুধবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৯

ঢাকা : বাইরে বের হলেই তীব্র তাপদাহ। চলতি মাসের মধ্যে বৃষ্টির তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। সূর্যের তেজ আরও কিছুটা বাড়বে।

তবে প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গে সাগরের লোনা জল কিছুটা টগবগ করছে। এ থেকেই হয়তো বৃষ্টি বা ঘূর্ণিঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামছুদ্দীন আহমেদ বলেন, চলতি মাসের শেষের দিনগুলোতে মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিলের পর ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর সেটি আগামী ৩ মে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।

তবে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের মে মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময় দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে দাবদাহের কারণে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এর মধ্যে উত্তপ্ত থাকবে বঙ্গোপসাগর। সাগর থেকে দু-একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ও সৃষ্টি হতে পারে।

এখনই দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, খুলনা, যশোর, পটুয়াখালী, ভোলা অঞ্চলসহ চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই দাবদাহ অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাঙামাটি জেলায় ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ৩৫ দশমিক ২, ময়মনসিংহে ৩৪ দশমিক ৫, চট্টগ্রামে ৩৬, সিলেটে ৩৫ দশমিক ৯, রাজশাহীতে ৩৪ দশমিক ৬, রংপুরে ৩২ দশমিক ৪, খুলনায় ৩৬ দশমিক ৫ ও বরিশাল জেলায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদফতরের আগামী দুই দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দিনের তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে।