রং করা চুলের যত্নে মাস্ক

রবিবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পার্লার থেকে চুল রং করালেন। দেখতে ভালোই লাগছে। অথচ প্রথমবার শ্যাম্পু করার পরেই কেমন যেন খসখসে আর বিবর্ণ হয়ে গেছে চুল! টাকা গুলোই পানিতে গেলো। চুল রং করার পরে অনেক সময়ই চুল বেশ রুক্ষ হয়ে যায়, সঠিক পরিচর্যা না করলে ভেঙে ঝরে যেতেও পারে। তাই বলে কি চুল রং করবেন না? অবশ্যই করবেন, আর তার পাশাপাশি যত্নটাও নিতে হবে। কালার করা চুলের জন্য তিনটি ঘরোয়া মাস্ক রইলো-

কুমড়া আর মধুর মাস্ক
মধু ময়শ্চারাইজ়িং এজেন্ট হিসেবে খুবই ভালো আর স্ক্যাল্প তথা চুলের ফলিকলের স্বাস্থ্যরক্ষায় জুড়ি নেই কুমড়োর।

আপনার দরকার:
১-২ টেবিলচামচ মধু
১ কাপ কুমড়ার ক্বাথ
আধকাপ টকদই

পদ্ধতি
একটা বড়ো পাত্রে সমস্ত উপাদান দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। পরিষ্কার ভেজা চুলে এই মাস্কটা ভালো করে মেখে নিন। শাওয়ার ক্যাপ পরে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপর ধুয়ে নিন! সালফেট হীন শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলবেন। ছিটেফোঁটা মাস্কও যেন চুলে থেকে না যায়!

জবাফুলের মাস্ক
চুলের পরিচর্যায় জবাফুলের ব্যবহার বহু প্রাচীন। জবাফুলে ভিটামিন এ, সি, অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং আরও নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে যা চুলের পক্ষে খুবই উপকারী।

আপনার দরকার:
১ টেবিলচামচ জবাফুলের শুকনো পাপড়ি গুঁড়ো করা
আধকাপ নারকেলের দুধ
পদ্ধতি
কন্ডিশনারের সঙ্গে জবাফুলের গুঁড়ো আর নারকেলের দুধটা ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটা একটু পাতলা পাতলা ধরনের হবে, অনেকটা বেবিফুড যেমন পাতলা, সেরকম। পরিষ্কার ভেজা চুলে ভালো করে মাস্কটা লাগিয়ে নিন। শাওয়ার ক্যাপ পরে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

কলা ও মধুর মাস্ক
কলার পটাশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেট চুলের শুকনোভাব দূর করে তা আর্দ্র রাখে, ডগা চেরা চুল থেকেও মুক্তি দেয়।

আপনার দরকার:
১টা পাকা কলা (কলা যত পাকা হবে ততই ভালো)
১ টেবিলচামচ মধু
পদ্ধতি
কলাটা চটকে নিয়ে তাতে মধু দিয়ে ভালো করে মেশান। ভেজা অথবা শুকনো অথচ পরিষ্কার চুলে মাখিয়ে নিন। শাওয়ার ক্যাপ পরে আধঘণ্টা অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন