বিরোধী জোটের ৬৭ প্রার্থীর ভোট বর্জন

রবিবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮

ঢাকা: বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, প্রাণহানি আর প্রার্থীদের বর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে একাদশ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

রোববার সকাল ৮টা থেকে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট হয়। এরপর থেকে চলছে গণনা।

জাল ভোট, কেন্দ্র দখল, এজেন্টদের বের করে দেয়া, হামলা ও আটকসহ নানা অভিযোগ সকাল থেকে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা ভোট বর্জন করেন। এদের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীই বেশি। তবে ক্ষমতাসীন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি এবং স্বতন্ত্র বেশ কয়েকজন প্রার্থীও ভোট বর্জন করেছেন।

পরিবর্তন প্রতিবেদক, ব্যুরো প্রধান ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে ভোট বর্জনের তথ্য তুলে ধরা হলো—

ধানের শীষ প্রতীকের ভোট বর্জনকারীরা

ঠাকুরগাঁও-২ মাওলানা আব্দুল হাকিম (জামায়াত নেতা), টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-১ শহীদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৩ লুৎফুর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৬ গৌতম চক্রবর্তী, বাগেরহাট-১ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এমএ সালাম, বাগেরহাট-৩ শেখ আবদুল ওয়াদুদ (জামায়াত নেতা), বাগেরহাট-৪ আব্দুল আলীম (জামায়াত নেতা), খুলনা-৫ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত নেতা), খুলনা-১ আমির এজাজ খান, খুলনা-৬ আবুল কালাম আজাদ, নীলফামারী-৩ অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম (জামায়াত নেতা), কুমিল্লা-১১ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (জামায়াত নেতা), সিরাজগঞ্জ-১ রোমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-২ রোমানা মাহমুদ, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াত নেতা), ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ, সিরাজগঞ্জ-৪ মাওলানা রফিকুল ইসলাম (জামায়াত নেতা), খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজীজুল বারী হেলাল, চট্টগ্রাম-১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম (জামায়াত নেতা), রাজশাহী-৪ আবু হেনা, শরীয়তপুর-২ সফিকুর রহমান কিরণ, সিরাজগঞ্জ-৫ আমিরুল ইসলাম খান আলীম, সিরাজগঞ্জ-৩ আব্দুল মান্নান তালুকদার, চট্টগ্রাম-৫ মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম, (কল্যাণ পার্টি), ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন, ময়মনসিংহ-৫ জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৬ ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-১১ ফখরুদ্দিন বাচ্চু, ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১ আফজাল এইচ খান, ময়মনসিংহ-৮ অ্যাডভোকেট এইচএম খালেকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ-১ মো. রেজাউল করিম খান চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. সাইফুল ইসলাম (জেএসডি), কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, জামালপুর-৫ অ্যাডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, নীলফামারী-২ মনিরুজ্জামান মন্টু (জামায়াত নেতা), হবিগঞ্জ-৪ আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিশ), নাটোর-১ কামরুন্নাহার শিরিন, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, গাইবান্ধা-১ মাজেদুর রহমান সরকার, গাইবান্ধা-৫ ওমর ফারুক, শেরপুর-২ ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর-৩ মাহমুদুল হক রুবেল, যশোর-১ মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি, যশোর-৪ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (এনপিপি), বগুড়া-২ মাহমুদুর রহমান মান্না (নাগরিক ঐক্য), ঝিনাইদহ-১ অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ও ঝিনাইদহ-৩ মাওলানা মতিয়ার রহমান (জামায়াত নেতা)।

লাঙ্গল প্রতীকের ভোট বর্জনকারীরা

টাঙ্গাইল-৮ কাজী আশরাফ সিদ্দিকী, খুলনা-১ সুনীল শুভ রায়, বাগেরহাট-৪ সেমনাথ দে, গাইবান্ধা-৪ মশিউর রহমান, গাইবান্ধা-৫ গোলাম শহীদ।

এ ছাড়া ঢাকা-১ আসনে জাতীয় পার্টির নেতা অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, যশোর-৫ কামরুল ইসলাম বারী, চট্টগ্রাম-১৬ জহিরুল ইসলাম (জামায়াত নেতা), বগুড়া-৩ আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম, বগুড়া-৪ আফজাল হোসেন নয়ন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট বর্জন করেছেন।