জাপার ইশতেহারে ৮ প্রদেশ, ৩৮০ আসন

শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮

ঢাকা: জাতীয় পার্টি (জাপা) ক্ষমতায় গেলে দেশে ৮টি প্রদেশ সৃষ্টি করা হবে। এছাড়া সংসদীয় আসনসহ বিদ্যমান ৩৫০ আসনকে ৩৮০তে উন্নীত করা হবে। ৩০টি আসন সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এমন ১৮টি দফা কর্মসূচির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন দলটি।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় জাপা চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। জাপার পক্ষে ইশতেহারটি ঘোষণা করেন জাপা চেয়ারম্যানের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত, সদ্য সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।

ইশতেহার ঘোষণার সময় রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে এক কেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে দেশের বর্তমান আট বিভাগকে ৮টি প্রদেশে উন্নীত করা হবে। প্রদেশগুলোর নাম হবে উত্তরবঙ্গ প্রদেশ, বরেন্দ্র প্রদেশ, জাহাঙ্গীরনগর প্রদেশ, জালালাবাদ প্রদেশ, জাহানাবাদ প্রদেশ, চন্দ্রদীপ প্রদেশ, ময়নামতি প্রদেশ এবং চট্টলা প্রদেশ।’

জাপা ঘোষিত ১৮ দফা কর্মসূচির মধ্যে আরও রয়েছে নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার, পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা করা, কৃষকের কল্যাণ সাধন, সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এর মূল্য বৃদ্ধি স্থিতিশীল রাখা। পাশাপাশি সারাদেশে পর্যায়ক্রমে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রত্যেক উপজেলায় কৃষিভিত্তিক শিল্প নগরী গড়ে তোলা।

কর্মসূচির মধ্যে এছাড়াও রয়েছে ফসলি জমি নষ্ট না করা। খাদ্য নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। শিক্ষা পদ্ধতির সংশোধন আনা। স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণ। শান্তি ও সহ অবস্থানের রাজনীতির প্রবর্তন। সড়ক নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। গুচ্ছগ্রাম, পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা। পল্লী রেশনিং চালু করা। শিল্প অর্থনীতির সাধনে সব ধরনের নীতি নির্ধারণী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষা করা।

ইশতেহার ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন- দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য দেলোয়ার হোসেন খান, এস.এম. ফয়সল চিশতী, ভাইস চেয়ারম্যান মো আরিফুর রহমান খান ও আলমগীর সিকদার লোটন, যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক ও শেখ আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিউল্লাহ শফি, ফখরুল আহসান শাহজাদা, মোস্তাফিজুর রহমান নাঈম, হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।