দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে ফিরল বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮

স্পোর্টস ডেস্ক : এই পিচে উইকেট যেন সোনার হরিণ। পিচ অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা তাই যে-ই ব্যাটিংয়ে আসছেন, মোটামুটি থিতু হয়ে যাচ্ছেন। তবে এরই মধ্যে উইকেট তুলে নিয়ে রানের চাপটা দিয়ে রাখছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা।

শাই হোপ আর মারলন স্যামুয়েলসের জমে উঠা তৃতীয় উইকেট জুটিটা ভেঙেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তারা ৬২ রান যোগ করেন। মোস্তাফিজের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হয়েছেন ২৬ রান করা স্যামুয়েলস।

আরও বিপদে পড়তে পারতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রুবেলের পরের ওভারে সিমরন হেটমায়ারের ক্যাচ ফেলে দেন ইমরুল কায়েস। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩৬ ওভার শেষে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৭২ রান।

ওপেনার চন্দরপল হেমরাজকে এলবিডব্লিউ করে শুরুতেই আঘাত হেনেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫ রানে ১ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন ড্যারেন ব্রাভো আর শাই হোপ। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৫ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন তারা।

অবশেষে চোখ রাঙানো জুটিটি ভাঙেন রুবেল হোসেন। বাঁহাতি ড্যারেন ব্রাভোকে বোকা বানিয়ে পেছন দিকের ডেলিভারিতে লেগস্ট্যাম্প দেন ডানহাতি এই পেসার। কিন্তু তৃতীয় উইকেটে মারলন স্যামুয়েলসকে নিয়ে আবার প্রতিরোধ গড়েন শাই হোপ।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে মোটে ২৫৫ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ।

তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের পর জ্বলে উঠলো সাকিব আল হাসানের ব্যাট। তিন ব্যাটসম্যানের হাফসেঞ্চুরিতে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুরের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে করেছে ২৫৫ রান।

পাঁচ সিনিয়র ক্রিকেটার- মাশরাফি, মুশফিক, সাকিব, মাহমুদউল্লাহ ও তামিম একসঙ্গে নেমেছিলেন ‘শততম’ ওয়ানডে খেলতে। উপলক্ষটা ব্যাট হাতে স্মরণীয় করে রাখলেন তামিম-সাকিব-মুশফিক। তবে হাফসেঞ্চুরি করেও ইনিংস লম্বা করতে না পারার হতাশায় পুড়েছেন তারা।

তামিম ৬৩ বলে করেন ৫০ রান। মুশফিকের ব্যাট থেকে এসেছে ৮০ বলে ৬২। আর সাকিব ৬২ বলে খেলেছেন দলীয় সর্বোচ্চ ৬৫ রানের ইনিংস। তাদের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর ৩০ রানে ভর দিয়ে আড়াই শ পার করে বাংলাদেশ।

ক্যারিবিয়ানদের সবচেয়ে সফল বোলার ওশানে থমাস। ১০ ওভারে ৫৪ রান খরচায় তার শিকার ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন কেমার রোচ, দেবেন্দ্র বিশু, কেমো পল ও রোভম্যান পাওয়েল।