ফাইভজিতে এতো খরচ!

শনিবার, ডিসেম্বর ৮, ২০১৮

ঢাকা : টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চতুর্থ প্রজন্ম ছেড়ে বিশ্ব অল্প সময়ের মধ্যে প্রবেশ করবে পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেট ব্যবস্থায়।

আগামী বছরের মার্চের মধ্যে অনেক দেশে ফাইভজি নেটওয়ার্ক চালু হবে বলে জানা যাচ্ছে। যেখানে ইন্টারনেট স্পিড হবে ফোরজির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু এই ইন্টারনেট স্পিড বেশি হবে না। বরং এর জন্য গুণতে হবে আরও বেশি বাজেট।

এটা খুবই ঠিক কথা যে, ফোরজির চেয়ে ফাইভজিতে আরও বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। বিশেষ করে বড় ধরনের পরবির্তন আসবে ইন্টারনেট অব থিংকস বা আইওটি’তে। ফাইভজির ফলে বিশ্বের অনেক শহরে তখন আইওটি দিয়ে অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করা শুরু হবে।

তবে ফাইভজিতে খরচ বাড়ার পিছনে প্রথম কারণ হিসেবে যা বলা হচ্ছে সেটি হলো, ফাইভজির জন্য অবশ্যই একটি হ্যান্ডসেট দরকার পড়বে। যা হতে হবে ফাইভজি নেটওয়ার্কে চলে এমন। এর জন্য অবশ্যই গ্রাহকদের বাড়তি টাকা খরচ করতে হবে।

নতুন বছরের শুরুর দিকেই ফাইভজি পণ্য বাজারে আসতে শুরু করবে। মূলত সবার আগেই কিছু প্রতিষ্ঠান চাইছে ফাইভজি নির্ভর স্মার্টফোন বাজারে আনতে। কিন্তু এসব ফোনের দাম কত হবে?

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, প্রথম ব্যাচে ফাইভজি যে স্মার্টফোনগুলো বাজারে আনা হবে তার দাম শুরু হতে পারে ৭২৭ মার্কিন ডলার থেকে। যা বাংলাদেশী টাকায় ৬০ হাজার টাকার উপরে। আর এর দাম সর্বোচ্চ হতে পারে এক লাখ ২২ হাজার টাকার মতো।

তবে তাদের ধারণা, প্রথম দিকে ফাইভজি সংযোগ নিতে গেলে এই খরচ দাঁড়াতে পারে অন্তত ৯০ হাজার টাকার মতো।

২০১৯ সালে ফাইভজি আসলেও তা বিস্তৃত হতে সময় লাগবে। ফলে ২০২০ সালের দিকে বিশ্বের অনেক দেশেই ফাইভজি চালু হবে। আর তখন এই ব্যয় অনেকটা কমে যাবে বলেও মনে করছেন তারা।

ইউরোপে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে স্মার্টফোন আনতে পারে ওয়ানপ্লাস। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী লেই জুহো বলছেন, তাদের আনা ফাইভজি ফোনের দাম ৩০০ মার্কিন ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। তবে এখনি বলা যাচ্ছে না যে এর মধ্যেই ফোনটি সরবরাহ করা যাবে।

কিন্তু লেই এটাও বলেননি যে, কবে নাগাদ তারা স্মার্টফোনটি বাজারে ছাড়তে পারবেন।

মাত্র কয়েক দিন আগেই বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি প্রসেসর এনেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম। স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫ প্রসেসরটি দিয়েই ২০১৯ সালে ফাইভজি দেওয়া শুরু করবে বিভিন্ন স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।