বিবাহিত জীবন সুখের করতে এড়িয়ে চলবেন যেসব অভ্যাস

মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৮

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ছোটখাটো সমস্যা সব সম্পর্কেই দেখা থাকে। বিবাহিত সম্পর্কেও থাকে। বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু আপাত-নিরীহ অভ্যাসও বড়ো সমস্যা হতে পারে। যেমন- প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটু সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করা, কিন্তু যিনি ব্যবহার করছেন তিনি ভাবতে পারেন তেমন সময় কাটাচ্ছেন না তাতে। এমনই আরো কিছু সাধারণ কাজকর্ম সুখী দাম্পত্যে বিরাট ফাটল ধরাতে পারে। সে রকমই কিছু কাজের কথা এখানে বলা হলো-

সারাক্ষণ স্বামীর ভুল ধরবেন না
স্বামীর কিছু কিছু কার্যকলাপ পছন্দ না-ও হতে পারে, কিন্তু তাতে সারাক্ষণ মেজাজ দেখাবেন না। বিশেষ করে জনসমক্ষে তো নয়-ই; বরং নিরিবিলিতে শান্তভাবে বোঝান, কেন তার কাজটা ভুল ছিল আর কী করলে ব্যাপারটা ঠিক হতো৷

পরিবারের গুরুত্ব
নিজের বাড়ির লোকজনের সঙ্গে আপনি যে আন্তরিক ব্যবহার করেন, সেই একইরকম ব্যবহার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গেও করতে হবে। শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে যদি যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে থাকেন, আপনার স্বামী সেটা ভালো চোখে নেবে না। নিজের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি, দুই পরিবারকেই সমান গুরুত্ব দিন।

স্বামীর ওপর কাজের বোঝা চাপাবেন না
ঘরের কাজ হোক বা বাইরের, সব কাজ ভাগাভাগি করে নিন। এতে আপনাদের সম্পর্কের বাঁধন মজবুত হবে। তাই সব দায়িত্ব যেমন নিজে নেবেন না, তেমনি সব কিছু স্বামীর ওপর চাপিয়ে দেবেন না।

নেতিবাচক মানসিকতা পরিহার করুন
সবসময় ঘ্যান ঘ্যান করলে একদিকে যেমন মেজাজটা খিটখিটে থাকবে, তেমনি প্রভাব পড়বে শরীরেরও৷ স্বামীও একসময় বিরক্ত হবেন৷ তাই বলে মনখারাপ হলে চুপ থাকবেন না। অবশ্যই বলবেন, কিন্তু বাকি সবকিছু অবহেলা করে শুধু নিজের সমস্যা নিয়েই পড়ে থাকলেই চলবে না।

হিসাবি হোন
স্বাধীনভাবে রোজগার করতেই পারেন, কিন্তু বিয়ের পর আপনাদের আয়ের সব টাকাই দু’জনের৷ তাই ইচ্ছামতো খরচ করা ঠিক না৷ প্রতি মাসে নিজের খরচের একটা অংশ সরিয়ে রাখুন আর সেই বাজেটটা ধরে রাখার চেষ্টা করুন৷ কোনো মাসে বেশি খরচ হয়ে গেলে স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করে নিন৷