সেনাকুঞ্জে ড. কামাল-মির্জা ফখরুল

বুধবার, নভেম্বর ২১, ২০১৮

ঢাকা: সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার সন্ধ্যায় গুলশান কার্যালয় থেকে সরাসরি সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। এর আগে কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি বিএনপির কোনো প্রতিনিধি।

২০১৭ সালে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলটির কোন প্রতিনিধি সেখানে যাননি। ওই অনুষ্ঠানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহবুবুর রহমান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদ আমন্ত্রিত ছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনের আগে খালেদা জিয়া সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে নিয়মিত যোগ দিতেন। এরপর তিনি ২০১২ সালে একবার ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর তিনি আর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। জানা গেছে, ওয়ান-ইলেভেনের পর বেগম খালেদা জিয়া একবারই ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন ২০১২ সালে।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ এই সবগুলো বিষয়ে দলীয় হাইকমান্ড আজকের এই সেনা সদরদপ্তরের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব দেন। সেখানে যোগদান ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ ড. কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আগত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বলে জানা গেছে।

এদিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। বুধবার দুপুরে বঙ্গভবনের দরবার হলে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ড. কামাল হোসেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করে। প্রতি বছর এ দিনটি ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। প্রতিবারের ন্যায় এবারও দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবেই বিকেলে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন।