যে ৭ ধরনের পুরুষকে সঙ্গী হিসেবে পেতে চায় নারীরা

মঙ্গলবার, নভেম্বর ২০, ২০১৮

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রত্যেক নারীই কিছু পুরুষের মাঝে বিশেষ কিছু খোঁজেন। যদিও পুরুষের প্রতি নারীর অভিযোগের শেষ নেই। কেননা নারীর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পুরুষরা প্রতারণা করে। তবে সব পুরুষেই যে নারীর অভিযোগের পাত্র ব্যাপারটি তা নয়। কিছু পুরুষ আছে যারা এই অভিযোগের বাইরে।

আর সে ধরণের পুরুষেই একজন নারীর জীবনটাকে ভরিয়ে দেয় সুখে ছোঁয়াতে। তাইতো তাদের সংসারে কোন বিবাদ স্পর্শ করে না।

জেনে নেয়া যাক ৭ ধরনের পুরুষ সঙ্গী সর্ম্পকে:

প্রথমত, একজন মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার আগে প্রথম আকর্ষণের ক্ষেত্রে অবশ্যই সৌন্দর্য একটি জরুরি বিষয়। কিন্তু জীবন চলার পথে যিনি সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেন না, তিনিই আদর্শ পুরুষ। কারণ সৌন্দর্য একটি কুহেলিকা। জীবনে কঠিন বাস্তবতায় সৌন্দর্যের আকর্ষণ একটি সময় মিইয়ে যায়।

কেননা, যে পুরুষ কেবল সৌন্দর্যের কারণেই নারীকে ভালোবাসেন, তিনি আরও সুন্দরী কাউকে দেখলে তার প্রেমে পড়বেন সেটিই স্বাভাবিক। নারীকে সুখী করতে পারেন, একমাত্র সেই ধরনের পুরুষ, যারা শারীরিক সৌন্দর্যের তুলনায় সঙ্গীর মনের সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেন।

দ্বিতীয়ত, সাধারণত যে পুরুষ শুধু যৌনতার মধ্যেই সুখ খোঁজেন, তিনি কখনই আদর্শ পুরুষ হতে পারেন না। এর বিপরীত চরিত্রের পুরুষ আদর্শ সঙ্গী।

তৃতীয়ত, দেখায় যায়, যে পুরুষ সৎ থাকেন, তাদের কাছ থেকে নারীর প্রতারিত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। কারণ তিনি ভালোবাসলেও যেমন সহজভাবে বলবেন, তেমনই ভালো না বাসলেও সোজাসাপ্টা ভাবেই জানিয়ে দেবেন।

আর এ ধরনের পুরুষ মনের মধ্যে গোপন সন্দেহ লুকিয়ে না রেখে সরাসরিই আপনাকে জানাবেন। তাই এমন পুরুষ ভালোবেসে যাকে বিয়ে করবেন, তার সঙ্গে গোটা জীবন কাটিয়ে দেয়া যাবে নির্দ্বিধায়।

চতুর্থত, দেখা যায় যে সব পুরুষ স্বার্থপর, তিনি কখনই আদর্শ সঙ্গী হতে পারেন না। কারণ সঙ্গীর মন বা সুবিধা-অসুবিধা বোঝার জন্য তিনি প্রকৃত মানুষ নয়।

পঞ্চমত, প্রায় শোনা যায়, বিয়ের আগে তিনি একরকম কথা বলতেন, আর বিয়ের পরেই সব বদলে গেল। পুরুষদের নিয়ে এটিই মেয়েদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ। তাই এ ক্ষেত্রে নারীকে এমন পুরুষ বেছে নেয়া প্রয়োজন, যিনি ব্যক্তিগত জীবনে কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখবেন।

ষষ্ঠত, এই পৃথিবীতে অনেক পুরুষ আছে, যারা নিজের সঙ্গী কিংবা প্রেয়সীকে সবার সামনে স্বীকৃতি দিতে দ্বিধাবোধ করেন৷ আর এই পুরুষের বিপরীত পুরুষরাই হলেন একেবারে আদর্শ।

সপ্তমত, সাধারনত, যে পুরুষের জীবন তার স্ত্রী বা পরিবারের মধ্যেই আবদ্ধ, তিনিই আদর্শ পুরুষ। কেননা, যখন একজন পুরুষ সুখ বলতে সবাই মিলে একসঙ্গে ভালো থাকাকে বোঝেন, তখন তিনিই নারীর জীবনে এক লহমায় সুখ এনে দিতে পারদর্শী। এ ধরনের পুরুষই সব নারীর স্বামীরূপে কাম্য।