‘নির্বাচনের তারিখ পেছানোর সিদ্ধান্ত ইতিবাচক’

সোমবার, নভেম্বর ১২, ২০১৮

ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ পেছানোর সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ পেছানোর সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। তবে তারিখ না পেছালেও ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে আসতো।’

আওয়ামী লীগের টিকেট পাওয়া মানেই বিজয়ী এটা ভ্রান্ত ধারণা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু পত্রিকায় এসেছে যে আওয়ামী লীগের টিকেট পাওয়া মানেই বিজয়ী। এটা একটি ভ্রান্ত ধারণা। যারা মনে করে তারা বড় মাপের ভুল করছে। আগামী নির্বাচন জোটবদ্ধভাবে করবে আওয়ামী লীগ, যার প্রতিক হবে নৌকা। জনগনই আওয়ামী লীগের ট্রামকার্ড।’

কাদের বলেন, ‘এবার দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে বোর্ড বিচার বিশ্লেষণ করে দিবে। প্রার্থীদের যোগ্যতা নির্ধারণে কয়েকটি সার্ভে করা হয়েছে। বিদেশি সংস্থাও সার্ভে করে তথ্য আপডেট করে দিয়েছে। ১৪ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন প্রার্থীদের ইন্টারভিউ শুরু হবে। কিছু কিছু প্রার্থীর ইন্টারভিউ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি নিবেন।’

নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যক্রমে কোন হের-ফের হবে না বলেও জানান তিনি।

এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান নওফেল, দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পুনঃতফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। পুনঃতফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ ঘোষণা দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা। ওই তফিসল অনুযায়ী, দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর, মনোনয়ন যাচাই-বাছায়ের শেষ তারিখ ২২ নভেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর ও নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ২৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ ছিল।