নির্বাচনকালীন সরকারে টেকনোক্র্যাট কেউ থাকছে না : কাদের

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৮, ২০১৮

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ভালো কিছুর আশা করছি এবং মন্দের জন্য প্রস্তুত আছি।’ আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এমন মন্তব্য করেন।

আগামীকাল শুক্রবার নির্বাচনকালীন সরকার হচ্ছে, অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্য সঠিক কি না-জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কবে হবে, সাইজ কী হবে তা বলার এখতিয়ার একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর। তবে নির্বাচনকালীন সরকার একদিন, দুদিন বা তিনদিনপর তো হবেই। একটা বিষয় বলতে পারি নির্বাচনকালীন সরকারে টেকনোক্র্যাট কেউ থাকছে না।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের গণসংযোগের অভিযান সারা বাংলাদেশে অব্যাহত থাকবে। আজ শিডিউল ঘোষণার পর তা আরও জোরদার হবে। তবে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদেরকে নির্বাচন কমিশনের আচরণ বিধি মেনে সকল তৎপরতা, গণসংযোগ ও সভা, সমাবেশ করার নির্দেশ দিচ্ছি।’

একদিকে ঐক্যফ্রন্টের রোডমার্চ স্থগিত, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত, এ দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সব জায়গায় যোগসূত্র খুঁজতে নেই। ঐক্যফ্রন্টের রোডমার্চ স্থগিতের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিতের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পরিবর্তীত তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।’

খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ায় সংলাপের অগ্রগতি ব্যাহত হবে কি না, জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বেগম জিয়া হাসপাতালে থাকলেও তিনি প্রিজনার। তিনি জেলে থাকলে যা, চিকিৎসার জন্য বাইরে থাকলেও একই স্ট্যাটাস।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ও বিদেশে সুনাম অর্জন করেছেন। বিশ্বের বহু রাষ্ট্র তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা মাইলফলক হয়ে থাকবে। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা। সংলাপে ছোটখাট দলকেও বাদ দেওয়া হয়নি। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সর্বশেষ ২৪টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সাথে সংলাপ করেছেন তিনি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল থেকে আওয়ামী লীগ ফরম বিতরণ শুরু করবে। সকাল ১০টা থেকে ৮টা বুথ থেকে ফরম বিতরণ শুরু হবে। প্রতিটা বুথে বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা থাকবেন। উৎসব মুখর পরিবেশে মনোনয়ন ফর্ম বিতরণ বা বিক্রি হবে।’