‘সরকারকে খুশী করতেই ফরমায়েশী রায়’

বুধবার, অক্টোবর ৩১, ২০১৮

ঢাকা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম।

বুধবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে আয়োজিত মাননবন্ধনে ফোরামের নেতৃবৃন্দ এই দাবী জানান।

মানবন্ধনে জাতীয়তাবাদী ফোরামের আহ্বায়ক প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহছান বলেন,‘আজ গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। গণতন্ত্রকেও আওয়ামীকরণ করা হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়া ন্যায় বিচার পাচ্ছেন না। আমরা ন্যায় বিচার চাই। গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। এই দেশের মানুষ গণআন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবে।’

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম বলেন, ‘এতদিন জানতাম নিন্ম আদালতের রায়ের সাজা উচ্চ আদালত কমিয়ে রায় দেয়। কিন্তু এখন বিচারপতিরা এতই দলীয় হয়ে গেছে যে তারা সরকার খুশী করতে ফরমায়েশী রায় দিচ্ছে। আমরা শোকাহত সাথে সাথে ক্ষুব্ধ। আমাদের শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। রাজপথে গণআন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে হবে।’

মানববন্ধনে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহসান বলেন, ‘এই দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট নিয়ে কোন মামলা হয় না। স্বৈরচার এরশাদের মামলার ২৫ বছরেও রায় হয় না। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১৭ বছরের জেলের ফরমায়েশি রায় দিয়েছে আদালত। যারা এই অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলছেন না তারাও সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রতিপক্ষ। যারা বিচারের নামে অবিচার করছে জনতা একদিন তাদের বিচার করবে।’

মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যাপক মো. শরীফ উদ্দীনের সঞ্চলনায় আরও বক্তব্য রাখেন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক তারেক চৌধুরী, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার, আইআইটি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ফজলুল করিম পাটোয়ারী, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেজাউল রাকিব, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কামরুন নেছা খন্দকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আবদুর রহমান বাবুল, রবিউল্লাহ, খালেক প্রমুখ।