নবাবগঞ্জে ভেজাল সার কারখানার সন্ধান

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৮

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : গত মঙ্গলবার দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে একটি প্রতারক চক্র বোরো মৌসুমকে টার্গেট করে বালুতে রং ও বিভিন্ন কেমিকেল মিশিয়ে ভেজাল দানাদার কীটনাশক সার বাজারজাত করণের সংবাদ পেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মশিউর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ভেজাল সারগুলো জব্দ করেছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান- এলাকার কৃষকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলার ২নং বিনোদনগর ইউনিয়নের নন্দনপুর গ্রামের আঃ গণি. ওই বাজারের রুহুল আমিনের চাতাল ঘর ভাড়া নিয়ে একটি প্রতারক চক্রের সহায়তায় ভেজাল সারগুলো তৈরি করে বাজারজাত চেষ্টা করে। তিনি আরও জানান- চিকন বালুতে রং ও বিভিন্ন কেমিকেল মিশ্রন করে এ সার উৎপাদন করছিল তারা। ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে কারখানায় জড়িত স্থানীয় আঃ গণি সটকে পড়ে।

স্থানীয় হরিপুর গ্রামের কৃষক আঃ ছাত্তার এবং সেখানে উপস্থিত থাকা শওগুনখোলা গ্রামের কৃষক ইকবাল হোসেন তারা অভিযোগ করে জানান- সামনে বোরো মৌসুম, প্রতারকেরা নবাবগঞ্জ-স্বপ্নপুরী পাকা রাস্তার ধারে গড়ে তুলেছে এ কারখানা। সহজে যাতায়াতসহ বিভিন্ন বাহনে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী জেলা উপজেলায় সারগুলো বিক্রি করে কৃষকের সাথে প্রতারণা করবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মশিউর রহমান জানান- এ চক্রের সদস্যরা যতবড়ই প্রভাবশালী হোক না কেন তাদের ছাড় দেয়া হবে না। আদিবাসী নেতা নির্মল কেরকাটা জানান- গ্রামের অশিক্ষিত উৎপাদনমূখী কৃষকদের যারা সারের নামে প্রতারনা করার চেষ্টা করছে তাদের আইনের কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী জানায়- এমন ভেজাল ও রং মিশ্রিত সার ফসল উৎপাদনের জন্য জমিতে প্রয়োগ করা হলে উপকারের চেয়ে মাটির বেশি ক্ষতি হবে। উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে জানা গেছে- উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।