আলোচিত সুন্দরগঞ্জে আলোকিত করতে চান রেজা

শনিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৮

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধা-১, সুন্দরগঞ্জ আসনে বইছে ভোটের হাওয়া। বিভিন্ন অসুন্দর কর্মকান্ডের কারণে ৫০ বছর পিয়েছে পড়া সুন্দরগঞ্জকে সামনে এগিয়ে আনার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে কাজ করছেন রেজাউল আলম রেজা। তিনি গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে নৌকার কান্ডারি হতে চান। রেজাউল আলম রেজা বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক এবং উপজেলা যুবলীগের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ও একজন ক্রীড়া সংগঠক।

আলোকিত সুন্দরগঞ্জ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে গঠিত ভালবাসি সুন্দরগঞ্জ সংগঠনের সভাপতি রেজাউল আলম রেজা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষর নজর কেড়েছেন। রেজা বলেন ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির আদেশকে কেন্দ্র করে সাঈদী ভক্তদের নারকীয় তান্ডবে সুন্দরগঞ্জ গোটা বিশ্বের কাছে আলোচিত হয়ে উঠে। সে কারণে ৫০ বছর পিছিয়ে গেছে সুন্দরগঞ্জ। সেই আলোচিত সুন্দরগঞ্জকে আলোকিত করে গড়ে তুলতে প্রয়োজন তরুণ নেতৃত্বের।

ইদানিং দলের মধ্যে তরুণ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা দারুনভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি মনে করেন সংকটময় সুন্দরগঞ্জকে ফিরে আনতে তরুণ নেতৃত্ব সৃষ্টি করা একান্ত প্রয়োজন। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার যাবতীয় কর্মকান্ড এবং সামাজিক অনুষ্টানে রেজার অংশ গ্রহণ ও উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে সাড়া জাগিয়েছে। উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি শামীম পারভেজ বলেন, সুন্দরগঞ্জে আ’লীগের রাজনীতিকে সুসংগঠিত এবং নৌকাকে নদী পার করাতে হলে রেজাউল আলম রেজাকে টিকিট দিতে হবে। তা না হলে সুন্দরগঞ্জে আ’লীগের রাজনীতিতে অনেকটা নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি ফিরোজ মন্ডল জানান, রেজাউল আলম রেজাই পারবেন সুন্দরগঞ্জের আ’লীগৈর রাজনীতিকে শক্ত হাতে ধরে রাখতে। রেজা ছাড়া আ”লীগকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভাব নয়। তাই রেজাকে আ’লীগের হাল ধরার সুযোগ করে দেয়া হক। রেজা সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্টকে ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য প্রতিদিন উপজেলার একপ্রান্ত হতে অপর প্রান্তে ছুটে চলছে। দূর্গম চরাঞ্চল পাড়ি দিয়ে জমি-জিরাত খুঁয়ে যাওয়া পরিবারগুলোর নানাবিধ কাজ সহায়তা করছে রেজা।

চলতি বছরের ১৩ মার্চ উপ-নির্বাচনে সরকার দলীয় আওয়ামীলীগের ২০ জন নেতা-কর্মী দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। সব কিছুর অবসান ঘটিয়ে নৌকার টিকেট পেয়েছিলেন প্রয়াত এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের বড় বোন শিল্পপতি ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম আহবায়ক আফরুজা বারী। কিš‘ নির্বাচনে লাঙল মার্কার প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর কাছে হেরে যান তিনি।

২০১৬ সালের ৩১ডিসেম্বর সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামীলী সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন নিহত হন এবং ২০১৭ সালের ১৯ডিসেম্বর সাংসদ ও উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ রাজনীতিবিদ গোলাম মোস্তফা আহমেদ মারা যান। সে কারণে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের পদ দু’টি শন্য হয়।

বর্তমানে আহবায়ক কমিটি উপজেলা আওয়ামীলীগের কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি টিআইএম মকবুল হোসেন প্রামানিককে আহবায়ক ও ১২জন শীর্ষ নেতাকে যুগ্ম আহবায়ক করে একটি কমিটি অনুমোদন দিয়েছে জেলা কমিটি।