সংস্কৃতি চর্চায় ৫ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ বরাদ্দ

মঙ্গলবার, অক্টোবর ৯, ২০১৮

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংস্কৃতি চর্চা বৃদ্ধির জন্য দেশের ৫ শতাধিক বিদ্যালয়ে বিশেষ বরাদ্দ দিতে যাচ্ছে সরকার। যার মধ্যে ১৯টি জেলার প্রতিটিতে ১০টি করে মোট ১৯০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১টি হারমোনিয়াম ও ১টি তবলা সেট ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এ বাবদ প্রতিটি বিদ্যালয় পাবে ১৫ হাজার টাকা। যাতে মোট ব্যয় হবে ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে এই ১৯০টি স্কুলসহ মোট ৫০টি জেলার ৫১০টি স্কুলের প্রতিটিতে একজন প্রশিক্ষক ও একজন তবলচির ৯ মাসের সম্মানী (অক্টোবর ২০১৮-জুন ২০১৯) বাবদ ১ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা মঞ্জুরি প্রদান করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ২০১৮-২০১৯ র্অথবছরে এ বাবদ প্রায় ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

‘সাংস্কৃতিক চর্চা’ শীর্ষক এ কার্যক্রমের অর্থ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচালন কার্যক্রমের আওতায় সাধারণ কার্যক্রমাধীন সাংস্কৃতিক মঞ্জুরি খাতের বরাদ্দ থেকে মেটানো হবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলায় এ কার্যক্রমের বরাদ্দকৃত অর্থ পৌঁছে গেছে বলেও জানা গেছে।

এই কার্যক্রমে নতুন করে ১৯টি জেলা অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো- ঢাকা, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, নেত্রকোনা, শরীয়তপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, সাতক্ষীরা, জয়পুরহাট, রাজশাহী, মৌলভীবাজার, ফেনী, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও।

এর বাইরে শুধুমাত্র নীলফামারী জেলার ২০টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর আওতায় আছে। আর ৩০টি জেলার ৩০০টি স্কুলে যেখানে এ কার্যক্রম চালু আছে, সেখানে শুধু প্রশিক্ষক ও তবলচির ৯ মাসের সম্মানী খরচ প্রদান করা হবে।

জেলাগুলো হলো- গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ, পঞ্চগড়, রংপুর, খুলনা, যশোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, বরিশাল, ভোলা, সুনামগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নড়াইল।

সম্প্রতি ‘সংস্কৃতি চর্চা’ নামের কার্যক্রমটি শুরু করে। দেশের বিভিন্ন স্কুলে সপ্তাহে একদিন করে মাসে মোট ৪ দিন শিক্ষার্থীদের নাচ-গানসহ নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি অনুকূলে অর্থ প্রেরণ করা হচ্ছে। তিনি সেই জেলার উপজেলা, থানাকেন্দ্রিক স্কুলগুলোয় একটি কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন করে কার্যক্রম পরিচালনার কাজগুলো তদারকি করছেন।

তবলা বা হারমোনিয়াম বাবদ এককালীন একটি অর্থ বরাদ্দ ছাড়া প্রতি মাসে একজন প্রশিক্ষক ২ হাজার টাকা এবং একজন তবলচি ১৫শ’ টাকা বাবদ সম্মানী পাচ্ছেন।