আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ০৫ জুলাই (প্রাইম নিউজ বিডি ডটকম)- ভারতের নিখোঁজ চিত্র নায়িকা লায়লা খানকে গুলি করে হত্যার কথা স্বীকার করেছে ওই হত্যাকাণ্ডে আটক এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি।
গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লায়লা খানকে মহারাষ্ট্রে হত্যা করা হয়। রহস্যজনকভাবে ওই চিত্র নায়িকা নিখোঁজ হবার পর পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে এতদিন কোনো খোঁজ পায়নি।
মুম্বাই অপরাধ প্রতিরোধ শাখার সদস্যদের কাছে অন্য এক ঘটনায় ধৃত পারভেজ ইকবাল তাক নামে এক ব্যক্তি লায়লা খানকে হত্যার কথা বলেছে।
পুলিশ শুরু থেকেই লায়লা ও তার পরিবারের সদস্যদের অপহরণের পর তাকে হত্যার বিষয়টি সন্দেহ করে আসছিল। কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।
পারভেজ ইকবাল তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশকে সে জানায়, গত বছর ফেব্রুয়ারিতে লায়লা খান, তার মা, বোন ও এক বন্ধুকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
তবে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার না করা পর্যন্ত বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারছে না।
দোদা রামবান রেঞ্জের আইজি গারিব দাস সাংবাদিকদের জানান, তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে আর কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে চিত্র নায়িকা লায়লা খানকে হত্যার সাথে একাধিক বিষয় জড়িত বলে তারা সন্দেহ করছেন।
এর আগে লায়লা খান দুবাইতে চলে গেছেন বলা হলেও তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। লায়লা খানের আসল নাম রেশমা প্যাটেল যিনি রাজেশ খান্নার সাথে সর্বশেষ ওয়াফা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
এর আগে পুলিশ লায়লা খানের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ কল রেকর্ড থেকে জানতে পারে সে নাসিকে অবস্থান করছে এবং ওই এলাকার ইজাতপুরে তার একটি বাগানবাড়ি ছিল।
ওই বাগানবাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালায়। পুলিশের সন্দেহ লায়লার সাথে জঙ্গী গ্রুপ লস্করে তৈয়বার সাথে সম্পর্ক ছিল। বাংলাদেশের এক জন সন্ত্রাসী মুনীর খানকে লায়লা বিয়ে করেছিলেন বলে পুলিশ সন্দেহ করে।
এর আগে লায়লার মা সেলিনা প্যাটেলের একটি মিৎসুবিসি আউটল্যান্ডার গাড়ি দিল্লী হাইকোর্টে বিস্ফোরিত হয়। পুলিশের সন্দেহ গাড়িটি বিস্ফোরক সরবরাহের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল।









