দিনাজপুর (পাবর্তীপুর): ০২ জুলাই (প্রাইম নিউজ বিডি ডটকম)- শতভাগ ক্ষতি পূরণের দাবিতে সোমবার ১৫ দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচী অব্যাহত রেখেছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকাবাসী। ক্ষতিগ্রস্তরা ১৮ জুন প্রথমে ৫ দিন এবং পরে আরও ৫ দিন অবরোধ কর্মসূচী বৃদ্ধি করে ১০ দিন অবরোধ কর্মসূচী পালন করে। লাগাতার অবরোধ কর্মসূচীর ১১তম দিনে বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্দোলনকারীদের সাথে সমঝোতা বৈঠকে বসে স্থানীয় প্রশাসন। বড়পুকুরিয়ার সভা কক্ষে ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে সমঝোতা ভেস্তে যায়। এ বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণে আরও ২৩ কোটি ৯৯ লাখ ৮৪ হাজার ৫’শ ২৩ টাকার চেক দেয়ার ঘোষণা দেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হামিদুর হক। কিন্তু আন্দোলনকারী নেতারা বকেয়া শতভাগ টাকা বুঝে চাইলে সমঝোতা বৈঠক ভেস্তে যায়। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারী নেতা ইব্রাহিম খলিল শতভাগ টাকা বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূর্চী চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক জামাল উদ্দীন আহমেদের কুশপুত্তলিকা দাহ করে। জেলা প্রশাসকের দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে গণ স্বাক্ষর গ্রহণ শুরু করেছে আন্দোলনকারীরা।
এদিকে অবরোধের ১৪ তম দিনে রোববার সন্ধার পর হঠাৎ ভূমি প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার অবরোধ স্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সাথে দেখা করে কুশল বিনিময় করেন। প্রতিমন্ত্রী এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকারবাসী ও আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করেন, তিনি ঢাকায় ফিরেই এ ব্যাপারে প্রধান মন্ত্রীর সাথে কথা বলে বিয়ষটি আশু সমাধান করবেন তিনি।
উল্লেখ্য, এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ কয়লা খনির প্রধান ফটকের সামনে আজ ১৫ দিন ধরে তাবু টেনে অবস্থান করছে। তাবুর আশ-পাশে গড়ে উঠেছে ভাম্রমান বাজার। সেখানে রান্না-বান্না করে তিন বেলা আহার করছেন আন্দোলনকারীরা।
গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপুরণের ১শ’৬৮ কোটি টাকা বিতরণ শুরু হয়। এ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলে ক্ষতিগ্রস্তরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এখনও ক্ষতিপূরণের ৪০ ভাগ পাননি তারা।
বড়পুকুরিয়ায় অবরোধ কর্মসূচী অব্যাহত
এই রিপোর্ট পড়েছেন 1123 - জন









