নিউইয়র্ক থেকে : ঢাকা, ৯ মে (প্রাইম নিউজ বিডি ডটকম) – তারেক রহমান রাজনীতিতে ফিরে আসুক তা যুক্তরাষ্ট্র আশা করে না- কংগ্রেসম্যান জোসেফ ক্রাউলি এ মন্তব্য করেছেন জানিয়ে দেশে ও প্রবাসের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ যে বিবৃতি ছাপিয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও বিএনপির ৩৪টি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ প্রবাসের বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ।
নর্থ আমেরিকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের ১০১ জন নেতা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন থেকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্র সুকৌশলে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
বিবৃতিতে বলা হয়- ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে তারা বাংলাদেশের তারুণ্যের প্রতীক, তৃণমূলের দল গড়ার কারিগর, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রতীক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সম্প্রতি তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসুক, যুক্তরাষ্ট্র বা জোসেফ ক্রাউলি চান না বলে যে প্রচারনা আওয়ামী লীগ নেতারা চালাচ্ছেন তা নিঃসন্দেহে এ চক্রান্তেরই অংশ।
একটি সভ্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আইন প্রণেতা হয়ে তিনি ভিন্ন একটি রাষ্ট্রের রাজনীতি ও ভবিষ্যত নেতা সম্পর্কে এ জাতীয় মন্তব্য করতে পারেন না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জোসেফ ক্রাউলি বরাবরই বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার রক্ষাসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জনগণের পক্ষে কথা বলেছেন। সম্প্রতি ইলিয়াছ আলী গুম হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তার ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় বাংলাদেশ সম্পর্কে তার মন্তব্য ও উদ্বেগ প্রকাশ লক্ষ্যনীয়।
জনপ্রিয়তার শূন্যের কোঠায় দাঁড়িয়ে থাকা শেখ হাসিনা ও তার সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য প্রতিবেশী দেশের আশ্রয় নিয়ে হত্যা, বুদ্ধিজীবি ও সিভিল সোসাইটিকে হুমকি, মিডিয়ায় হস্তক্ষেপ, রাজনৈতিক নেতাদের গুম, হত্যা, হুলিয়া ও লাভজনক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধ্বংস করার চক্রান্তে লিপ্ত।
তারা বলেন, আওয়ামী বাকশালীরা বাংলাদেশকে একটি দেশের আশ্রিত রাজ্য কিংবা অকার্যকর রাষ্ট্র বানানোর জন্য এসব চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিন বারের নির্বাচিত সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান। পারিবারিক ঐহিত্য ছাড়াও তারেক রহমান তৃণমূল রাজনীতির প্রবর্তক।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ, মানবাধিকার, সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা, মাটি ও মানুষের রাজনীতিতে বিশ্বাসী জাতীয়তাবাদী দল ও নেতার বিরুদ্ধে সব চক্রান্তের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রবাসী বিএনপি নেতারা- ‘বাংলাদেশের ভবিষৎ কর্ণধার’ তারেক রহমান সম্পর্কে অশোভন বক্তব্য ও সকল চক্রান্ত বন্ধ করার জন্যে আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ড. শওকত আলী, ড. এস আই সেলী, ড. মজিবুর রহমান, ড. আবুল কাশেম, ড. সারোয়ারুল হাসান, ডা. হামিদুজ্জামান, ডা. ওয়ালী খান, ডা. গুলজার হোসেন, ডা. ওয়াজেদ আলী খান, কামাল সাইদ মোহন, মাহমুদ উল্লাহ মামুন, রফিকুল চৌধুরী ডলার, বেলাল মাহমুদ, জসীম উদ্দিন ভূইয়া, নুর মোহাম্মদ, কাজী আজম, গোলাম ফারুন শাহীন, জহির মোল্লা, রফিকুল মাওলা, মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ মো. আতিকুর রহমান, সাইদুর রহমান সাইদ।
এছাড়া আরো স্বাক্ষর করেছেন খালেক আকন্দ, জীবন শফিক, বশির, সোলেমান সেরনিয়াবাদ, কাজী মাইনুদ্দিন, লেয়াকত আলী খান, তোফায়েল আহমেদ, জাফর তালুকদার, আজহারুল হক মিলন, বাবুল চৌধুরী, নিশান রহিম, সেলিম রেজা, তোফায়েল চৌধুরী লিটন, দিনাজ খান, আশরাফ হোসেন, কাঞ্চন চৌধুরী, ফয়সাল চৌধুরী, বুদ্ধ রতন বড়ুয়া, ফারুক হোসেন মজুমদার, সাধন কর, চিত্ত রঞ্জন সিং, নিরা রাব্বানী, লিনা চৌধুরী, সাহানা কবির, তারেক হোসেন, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, আনোয়ার তুহিন, মোজাম্মেল হক, রফিকুল আমিন ভূইয়া রুহেল, পারভেজ সাজ্জাদ, গোলাম হোসেন, রুহুল আমিন নাসির, আবু তাহের, এস.এম.মাইনুল করিম টিপু, আবু সুফিয়ান, মাইনুদ্দিন, তৌফিক মিয়া, দেওয়ান মোঃ কাউসার, নাসির উদ্দিন শরিফ, আকতার হোসেন মঞ্জু, মঞ্জুর আহমেদ।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও ৩৪টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের
চিফ কো-অর্ডিনেটর বেলাল মাহমুদ প্রেরিত বার্তায় স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে আরো রয়েছেন- শামীম আকন্দ, মাহবুবুল আলম আলমগীর, ইকবাল আনসারী, মাহবুবুর রহমান, পরান চৌধুরী, অর্নব ফারুক, রিয়াজ চৌধুরী, আশিক মাহমুদ, রাহি খান, মনিরুজ্জামান বিল্লাল, আব্দুল করিম, হাজী মমিনুল হক, ওয়াহেদ আলী মন্ডল, মীর মশিউর রহমান, প্রফেসর আব্দুল মতিন, মোহাম্মদ হাসান, মোস্তাক আহমেদ, আবুল হোসেন মেম্বার, খান মোহাম্মদ টিপু, বাসেত রহমান, বদরুল হক আজাদ, আবুল কালাম, অ্যাডভোকেট খায়রুল বাশার, মাকসুদ চৌধুরী, ইলিয়াস খান, সৈয়দ বাহালুল উজ্জল, ভিপি আলমগীর খান, শাহীন খান, সাইফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম লিটন, মাওলানা মো. মাসুম, ইঞ্জিনিয়ার বাদল, মেহেদী হাসান।









